হামাস এখনো ইসরায়েলের কাছে সাতজন হাই-প্রোফাইল ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি দাবি করছে—যাদের মধ্যে রয়েছেন মারওয়ান বারগুতি ও আহমদ সাদাত।মারওয়ান বারগুতি বর্তমানে পাঁচটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত ৪০ বছরের সাজা ভোগ করছেন। ২০০৪ সালে কয়েকটি হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়, যেখানে চারজন ইসরায়েলি নাগরিক ও একজন গ্রিক সন্ন্যাসী নিহত হন।ফিলিস্তিনিদের মতামত জরিপগুলো ধারাবাহিকভাবে দেখিয়েছে, বারগুতি এখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় ফিলিস্তিনি নেতা এবং ফিলিস্তিনি জনগণ যদি এখন ভোট দিত, তাহলে বর্তমান ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বা হামাস নেতাদের তুলনায় বারগুতিকেই প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নিতেন।বারগুতি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রধান গোষ্ঠী ফাতাহ আন্দোলনের একজন শীর্ষ নেতা। ইসরায়েলের দখলমুক্ত পশ্চিম তীরের কিছু অংশ শাসন করে এ গোষ্ঠীটি।অন্যদিকে, আহমদ সাদাত হলেন পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইনের (পিইএলপি) নেতা, যারও একটি অংশ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর।সাদাতকে ২০০৮ সালে একটি ‘অবৈধ সন্ত্রাসী সংগঠন’ পরিচালনা ও ২০০১ সালে এক ইসরায়েলি মন্ত্রীর হত্যাসহ একাধিক হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।আলোচনা ঘনিষ্ঠ একজন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বিবিসিকে জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ এ নতুন দফা আলোচনা শুরু হয়েছে, যার লক্ষ্য বন্দিদের তালিকা সম্পর্কিত অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধান করা।
ওই কর্মকর্তা বলেন, হামাস এখনো মারওয়ান বারগুতি এবং আহমদ সাদাতসহ সাতজন হাই-প্রোফাইল বন্দির মুক্তির জন্য চাপ দিচ্ছে।সূত্র অনুসারে, বিনিময় চুক্তির সূত্রে সর্বোচ্চ সাজাপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির কথা বলা হয়েছে এবং সাতজন হাই-প্রোফাইল নাম এই মানদণ্ড পূরণ করে।কিন্তু আলোচনার শুরু থেকেই ইসরায়েল তাদের মুক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..