বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকেন্দ্রিক রাজধানীর গুলশান থানার মো. ইমরান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জামিনের বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়।
এদিন গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।এরপর তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। পরে পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আসামিপক্ষে জামিনের বিষয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার শুনানি করবে বলে বিচারককে জানান।
পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে রবিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে জনতা ও একদল শিক্ষার্থী। এরপর রাজধানীর শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে তারা। পরে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
মামলায় বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর সুবাস্তু মার্কেটের সামনে হাজারো ছাত্র-জনতা মিছিল করছিল। তৎকালীন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশনায় আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। এ সময় ভুক্তভোগী মো. ইমরান কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে আন্দোলনরতদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দিলে অজ্ঞাতনামা আসামিদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেদিন সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..