‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়াকে আমার খুব ভালো লাগে বাবা। এর লাইগ্গা অসুস্থ শরীর লইয়া নাতির সঙ্গে ভোট দিতে আইয়া পড়ছি। জীবনের শেষ সময়ে তার দলের পক্ষে একটা ভোট দিলাম। কত দিন বাঁচব জানি না, কিন্তু খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখে মরতে চাই।
কথাগুলো বলছিলেন ৯০-ঊর্ধ্ব মনোয়ারা বেগম। তিনি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ঝাকালিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত সুবেদ আলীর স্ত্রী।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি জালালপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সরেজমিন দেখা যায়, নাতির সঙ্গে অটোরিকশায় করে কেন্দ্রে আসেন এই বৃদ্ধা।
কেন্দ্রের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে সহায়তা করে ভোটকক্ষে নিয়ে যান। নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।মনোয়ারা বেগমের নাতি সুমন বলেন, ‘সকাল থেকেই দাদি ভোটকেন্দ্রে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করছিলেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে যেতে প্রথমে মানা করেছিলাম।
কিন্তু তার আগ্রহের কাছে নতি স্বীকার করি। পরে অটোরিকশায় করে তাকে কেন্দ্রে নিয়ে আসি। আমাদের পরিবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনীতির প্রতি অনুগত। দাদিও তার পছন্দের দলকে ভোট দিয়েছেন।’জালালপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন, ‘ভোটের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই এই বৃদ্ধা নাতির সহযোগিতায় কেন্দ্রে এসেছেন।
এটি তার নাগরিক সচেতনতার প্রকাশ। তিনি নিজ হাতে ব্যালটে সিল দিয়ে ভোট প্রদান করেছেন।’
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..