সেখানেই জয়া বলেন, মেধা দিয়ে খুব বেশি কিছু হয় না। লক্ষ্যে পৌঁছানোর অদম্য ইচ্ছা থাকতে হয়।নিজের কাছে নিজে পরীক্ষা দিয়ে দিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। তাহলেই যে কারো সাফল্য আসবে।জয়া আহসান মনে করেন, তার সাফল্যের পেছনে মূল শক্তি ছিল পরিশ্রম ও ধৈর্য। অভিনেত্রী জানান, অভিনয় জীবনের অনেক বছর আমি ক্যামেরার অ্যাঙ্গেলই চিনতাম না।গুণী নির্মাতাদের দক্ষ নির্দেশনার কারণেই আমি এখন অভিনয়ের অ, আ, ক, খ শিখতে পেরেছি।জয়ার ব্যক্তিজীবনেও পুরনো জিনিসের প্রতি রয়েছে এক বিশেষ টান। তিনি জানান, তার বাসায় প্রায় ২০০ বছরের পুরনো আলমিরা রয়েছে। যে খাটে জয়া আহসানের জন্ম, সেই খাটটি এখনো তার বাড়িতে সংরক্ষিত, যা সবাইকে অবাক করেছে।পুরনো প্রসঙ্গ উঠতেই জয়া আহসান বলেন, আমি পুরনোতে বাঁচি, যা কিছু পুরনো, তা শুধু অতীত নয়; অতীত আমার কাছে তার থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অতীত সবসময় বর্তমান ও ভবিষ্যতের সেতুবন্ধ বলেও জানান অভিনেত্রী।সামাজিক মাধ্যমে বুলিং প্রশ্নে অভিনেত্রী বলেন, সামাজিক মাধ্যমে কমেন্টবক্স আমার সেভাবে পড়া হয় না। তবে যখন পড়ি, খারাপ লাগে সেসব মানুষের জন্য, যারা পৃথিবীতে একটা অশোভন কমেন্ট রেখে যাচ্ছেন। যারা বাজে কথা ছড়িয়ে আনন্দ পান, তিনি হয়তো পৃথিবী থেকে একদিন চলে যাবেন, কথাটা কিন্তু থেকে যাবে।তার পাপ হবে, আমার কিছুই হবে না বলে জানান অভিনেত্রী।