তিনি বলেন, ‘জনগণের উত্তাল সমুদ্র দেখে তারা ভয় পায়। আমরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।শিশু থেকে আবালবৃদ্ধ-জনতার জন্য একই বিচার। যে অপরাধ করেছে সে অপরাধের শাস্তি তাকে পেতেই হবে, প্রধানমন্ত্রী থেকে সবার জন্য বিচার হবে সমান। কোনো দায়মুক্তি দেওয়া হবে না।’ লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে গতকাল বিকালে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াত আমির আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে একটি ইতিহাস রচনা হবে। সেই ইতিহাস হবে ন্যায়-ইনসাফের পক্ষে, অর্থনৈতিক মুক্তি, চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজমুক্ত করার পক্ষে এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে। সেই বাংলাদেশ গড়তে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে গতকাল দুপুরে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের জিলা স্কুল মাঠে ১১-দলীয় জোটের নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা ধৈর্য ধরতে পারেন নাই। বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন। আল্লাহর কসম, ক্ষমতায় যাওয়ার আগে দেশের জনগণ যাদের হাতে নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় যাওয়ার পর জনগণ আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।’
শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পেরেছে। তাদের হাতে যদি দেশ আসে তাহলে ভালোবাসার একটা দেশ তৈরি করা সম্ভব। মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই সারা বাংলায় এখন বাঁধ ভাঙা জোয়ার শুরু হয়েছে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে। শুধু নোয়াখালী না, সারা বাংলায় আমি যেখানে যাচ্ছি মানুষের ভালোবাসা দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে জুলাই যুদ্ধ যারা করেছে সেই যুব সমাজ মুখিয়ে আছে ১৩ তারিখ (ফেব্রুয়ারি) থেকে নতুন একটি বাংলাদেশ দেখার জন্য। তারা বুঝতে পেরেছে জুলাই চেতনার আকাক্সক্ষা কাদের দ্বারা বাস্তবায়ন হবে।’
সমাবেশে নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে ১১-দলীয় দলের নেতারা বক্তৃতা করেন।