প্যাট কামিন্সের অনুপস্থিতিতে অধিনায়কত্ব পাওয়া স্মিথও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৯ রান করা এই ডানহাতি ব্যাটারকে সুইং ডেলিভারিতে বোল্ড করেছেন টাং। মিডল অর্ডারে নামা উসমান খাজার ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান। মধ্যাহ্ন বিরতির পর নেমে তিনিও দ্রুত ফেরেন। এ নিয়ে ২০২৩-২৪ মৌসুম শুরুর পর থেকে ডানহাতি পেসারদের বলে ২০তম বার আউট হলেন খাজা। যদিও ক্রিজ ছাড়ার আগে তিনি টেস্টে আট হাজার রানের মাইলফলক পূর্ণ করেছেন। ২০ রানে ফিরেছেন সিরিজের অন্যতম সেরা ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি।
অস্ট্রেলিয়ার পুঁজিটা কিছুটা বেড়েছে সপ্তম উইকেটে ক্যামেরন গ্রিন ও মাইকেল নেসারের গড়া ৪৫ রানের জুটিতে। তবে ১৭ রান করে দুর্ভাগ্যের রানআউটে কাটা পড়েন গ্রিন। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩৫ রান আসে নেসারের ব্যাটে। ১৫২ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ইংলিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট নিয়েছেন জশ টাং। টেস্টে এটি তার তৃতীয় ফাইফার। ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম মেলবোর্ন টেস্টে কোনো ইংলিশ বোলার এই কীর্তি গড়লেন। এ ছাড়া অ্যাটকিনসন দুই এবং ব্রাইডন কার্স ও স্টোকস একটি করে শিকার করেন।
জবাব দিতে নেমে ১৬ রানে ৪ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। অবস্থা বেগতিক দেখে মেরে খেলে চাপ কমাতে চেষ্টা করেন হ্যারি ব্রুক। অনেকটা সফল হয়েছিলেনও। কিন্তু ৩৪ বলে তার ইনিংসটি ৪১ রানে থামলে ফের ধস নামে।
ইংল্যান্ডের ইনিংসে কেবল হ্যারি ব্রুক, অধিনায়ক বেন স্টোকস (১৬) আর শেষদিকে গুস এটকিনসন (২৮) ছাড়া আর কেউ দুই অংক ছুঁতে পারেননি। ৯১ রানে ৯ উইকেট হারানোর পর এটকিনসনই দলকে একশ পার করে দেন। ২৯.৫ ওভারে ১১০ রানে থামে ইংল্যান্ডের ইনিংস। অস্ট্রেলিয়ার মাইকেল নেসার ৪টি আর স্কট বোল্যান্ড নেন ৩টি উইকেট। মিচেল স্টার্ক দুইটি এবং ক্যামেরন গ্রিন নেন একটি উইকেট।
পুরো দিনে উইকেট পড়ে ২০টি। গত ৭৪ বছর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে একদিনে যা সর্বোচ্চ। সব মিলিয়ে টেস্ট ইতিহাসে এক দিনে অন্তত ২০ উইকেট যাওয়ার সপ্তম ঘটনা এটি, সর্বশেষ ১৯৫১ সালে অ্যাডিলেডে এক দিনে গেছে ২২ উইকেট। মেলবোর্নে একদিনে সর্বোচ্চ উইকেট গেছে ২৫টি, সেটি ১৯০২ সালে, মানে ১২৩ বছর আগে।