শুক্রবার (৩ অক্টোবর) আইএসপিআরের সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।এতে জানানো হয়, সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীন ইউনিট অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান চালায়।এসব অভিযানে চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী, অস্ত্র ব্যবসায়ী, অবৈধ অস্ত্রধারী, শিশু পাচারকারী, মাদক ব্যবসায়ী, জুয়াড়ি ও নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১০টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ২টি ম্যাগাজিন, ৩টি ককটেল, ২৭ রাউন্ড গুলি, দেশীয় ও বিদেশি ধারালো অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, মোবাইলফোন, বিভিন্ন চোরাই মালামাল ও নগদ অর্থ। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।আইএসপিআর জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের ৬২ জেলায় সেনাবাহিনী টহল পরিচালনা করছে।প্রায় ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে পূজা অর্চনার প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে সেনাবাহিনী। এ ছাড়া শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ন্ত্রণেও সরাসরি ভূমিকা রাখছে তারা।দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। একইসঙ্গে সন্দেহজনক কার্যকলাপের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে নিকটস্থ সেনাক্যাম্পে তথ্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।