সাভার আশুলিয়ায় গর্ভবতী নারী শ্রমিক তাজমিনা খাতুনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কানাডিয়ান মালিকানাধীন গিল্ডান গ্রুপের তিনটি কারখানায় বিক্ষোভ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কারখানাগুলোর সামনে শিল্প পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে পলাশবাড়ীর গিল্ডান অ্যাক্টিভ ওয়্যার বিডি লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে জামগড়ার গিল্ডেন গার্মেন্টস লিমিটেড ও নয়ারহাটের এসডিএস ইন্টারন্যাশনাল কারখানার শ্রমিকরাও বিক্ষোভে যোগ দেন।পরিস্থিতি শান্ত করতে কর্তৃপক্ষ তিনটি কারখানাতেই একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তাজমিনা খাতুন (২৫)। তিনি নয়ারহাটের এসডিএস ইন্টারন্যাশনাল কারখানায় সুইং অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।শ্রমিকদের অভিযোগ, গর্ভবতী অবস্থায় অসুস্থ হলে তাজমিনা ছুটি ও চিকিৎসা সহায়তা চাইলেও তাকে সহযোগিতা করেনি কর্তৃপক্ষ।সহকর্মীরা চাঁদা তুলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে চাইলে তাতেও বাধা দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।শ্রমিকদের অভিযোগ, সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত কিছু বিদেশি কর্মকর্তা শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছেন। দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলন আরো বিস্তৃত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।শিল্প পুলিশ ১ এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আলোচনা চালিয়ে শ্রমিকদের শান্ত রাখা হয়েছে।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..