বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশান-২-এর হোটেল ক্রাউন প্লাজায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষ উদ্যোক্তা, শিল্পপতি ও সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকাস্থ ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস এ কথা জানিয়েছে।অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আরিফ সোয়ুকু বলেন, এ সমাবেশ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফরম।দূতাবাস জানায়, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিদ্যমান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। গত ১০টি ট্রেড এক্সপোতে প্রতিবছর গড়ে ২০ জনেরও বেশি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন এবং সফলভাবে ইন্দোনেশিয়ার উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ব্যাবসায়িক চুক্তি সম্পাদন করেছেন।ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আরো জানান, এবারের ট্রেড এক্সপোতে বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারীদের সর্বোচ্চ সুফল নিশ্চিত করতে দূতাবাস বিশেষভাবে ব্যাবসায়িক সংযোগ তৈরিতে কাজ করছে এবং উপযুক্ত ইন্দোনেশীয় অংশীদারের সঙ্গে তাদের যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।‘ডিসকভার ইন্দোনেশিয়াস এক্সিলেন্স : ট্রেড বিয়ন্ড বাউন্ডারিজ’ শীর্ষক এ বছরের ট্রেড এক্সপোতে টেক্সটাইল ও পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, আসবাবপত্র, হালাল পণ্য, অটোমোটিভ যন্ত্রাংশ, ডিজিটাল উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন খাতের পণ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ প্রদর্শিত হবে।ঢাকার এ ব্যবসায়ী সমাবেশকে মূলত ট্রেড এক্সপো ২০২৫-এর এক পূর্বাভাস হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখানে অংশগ্রহণকারীরা সরাসরি আলোচনা করার পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা অনুসন্ধান ও দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ব্যাবসায়িক সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় করার সুযোগ পেয়েছেন।