এমইইকে সোমবার জানানো হয়, এসব হামলা চলতি সপ্তাহেই শুরু হতে পারে, যদিও সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে।প্রশাসনের ভেতরের আলোচনাকে ‘অগোছালো’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে, তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে।বিক্ষোভকারীদের ওপর নৃশংস দমন-পীড়নের অজুহাতে ট্রাম্প প্রশাসন প্রায় এক মাস ধরেই ইরানে হামলার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে।প্রথমে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের ‘রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল’ করার আহ্বান জানালেও পরে সুর নরম করে বলেন, ‘হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে’। এই উত্তেজনা প্রশমনের সিদ্ধান্ত আসে এমন এক সময়ে, যখন সৌদি আরব, কাতার ও ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলো হামলার বিরুদ্ধে জোরালো তদবির করছিল।
এই সামরিক সমাবেশ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সোমবার জানিয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী দক্ষিণ চীন সাগর পেরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে।ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোস থেকে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে বলেন, ‘আমরা ইরানের দিকে বড় বাহিনী পাঠাচ্ছি। আমি চাই না কিছু ঘটুক, কিন্তু আমরা তাদের খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি।’
এই মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রকে বিকল্প পথ দিচ্ছে, কারণ উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য তাদের আকাশসীমা বা স্থাপনা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বলে বর্তমান ও সাবেক মার্কিন এবং আরব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই নিষেধাজ্ঞা ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে কার্যকর রয়েছে।রয়টার্স এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, তেহরান সতর্ক করেছে, যদি ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় তাদের দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ব্যবহার করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের আরব মিত্রদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে। তেহরানের ঘনিষ্ঠ ভাষ্যকারেরা প্রকাশ্যেও এই হুঁশিয়ারি জোরালো করেছেন।
পটভূমি আলোচনায় সৌদি আরব, ওমান, কাতার ও তুরস্ক—সবাই যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে হামলার বিরোধিতা করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্দান হামলাকে সমর্থন করে।