মিলাদ মাহফিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন আপসহীন সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে জাতি একজন অভিভাবকতুল্য নেত্রীকে হারিয়েছে। আমি হারিয়েছি মাতৃতুল্য নেত্রীকে।তিনি আরো বলেন, ‘দেশজুড়ে মানুষের যে অভূতপূর্ব শোক, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা আমরা দেখছি, তা প্রমাণ করে খালেদা জিয়া ছিলেন সত্যিকার অর্থেই দেশ নেত্রী। তাঁর আদর্শ ও ত্যাগই বিএনপির রাজনীতির প্রধান প্রেরণা।’
হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরফান আলীর সভাপতিত্বে ও সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত দোয়া পূর্ব আলোচনার অন্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর, কমার্স কলেজের অধ্যক্ষ এখলাস খান, আলতাফ হোসেন।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী এবং ক্রিকেটারদের সঙ্গে মতবিনিময়
এদিন বিকেলে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স হালুয়াঘাট উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং হালুয়াঘাট ক্রিকেটারস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের এবং রাতে নাগলা বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘তরুণ সমাজ, খেলোয়াড় ও সাংস্কৃতিক কর্মীরাই একটি সুস্থ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনের মূল শক্তি। বিএনপি সবসময় খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সামাজিক সংগঠনের বিকাশে পাশে ছিল এবং আগামীতেও থাকবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে শিক্ষা পাঠ্যক্রমে ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করবে। হালুয়াঘাটে পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম, শিল্পকলা ও শিশু একাডেমী, পাবলিক লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা এবং বছরব্যাপী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ধর্মীয় চর্চা ও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হবে। হালুয়াঘাটে স্থাপিত নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমিকে পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করা হবে।
ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়
সোমবার রাতে তিনি নাগলা বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন ‘বর্তমান সময়ে ব্যবসায়ীরা চরম অনিশ্চয়তা ও চাপের মধ্যে রয়েছেন। একটি গণতান্ত্রিক সরকার ছাড়া টেকসই অর্থনীতি ও নিরাপদ ব্যবসা পরিবেশ সম্ভব নয়। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সহায়ক পরিবেশ ও ন্যায্য বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।’
তিনি এ সময় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে বিএনপির পাশে থাকার আহ্বান জানান।