অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে সব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে আনার চেষ্টা চলছে। ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে চ্যালেঞ্জ আসবেই।চ্যালেঞ্জ সবাই মিলে মোকাবেলা করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। বিষয়টি নিয়ে কিছুটা কাজ হয়েছে। যিনি আহ্বায়ক (কনভেনার) আছেন, তিনি গুচ্ছ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবেন। সব বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসি মিলে পরিস্থিতি মোকাবেলা করবতিনি বলেন, ‘আরো বেশি বিশ্ববিদ্যালয় আনার উদ্দেশ্যই হচ্ছে, ছাত্রদের দিকে তাকানো। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে তাদের ভোগান্তি হচ্ছে। এটা কমানোর জন্য আমরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে কথা বলেছি। জগন্নাথের বিষয়টি বুঝতে পারছি অন্য রকম, তবে আমাদের কথাবার্তা অব্যাহত আছে।ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত মিটিং কবে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসংক্রান্ত কমিটি আছে। তারা জানে, এটি কোন সময়ে করতে হবে। আমাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আছে।’ জানা যায়, এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু হবে। কয়েকটির সম্ভাব্য সময়সীমাও প্রকাশ্যে এসেছে।তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। শুরু হবে রমজান মাসও। সে কারণে নির্বাচন ও রমজানের আগেই ভর্তি কার্যক্রম শেষ করতে চায় শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়সীমা চূড়ান্ত করতে পারেন সংশ্লিষ্টরা। তবে নির্বাচনের কারণে এবার ভর্তি পরীক্ষায় জটিলতায় পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরাগত বছর ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। তার আগের শিক্ষাবর্ষে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে অংশ নেয়। সেখান থেকে পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় গতবার বেরিয়ে গিয়ে আলাদা ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছিল।