জার্মানির তরুণ প্রজন্মের অনেকেই নতুন এই আইনের বিরোধিতা করছেন, আবার কেউ কেউ এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিক্ষোভের আয়োজকরা লিখেছেন, ‘আমরা ব্যারাকের ভেতরে বন্দি হয়ে, কুচকাওয়াজ আর আনুগত্যের প্রশিক্ষণ নিয়ে এবং মানুষ মারার কৌশল শিখে জীবনের ছয়টি মাস নষ্ট করতে চাই না।’
তারা আরো বলেন, ‘যুদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য কোনো সুদিন বয়ে আনে না, বরং তা আমাদের জীবন ও জীবিকা ধ্বংস করে দেয়।’
বর্তমানে জার্মান সেনাবাহিনী বা ‘বুন্ডেসভেয়ার’-এ সদস্যসংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার। আগামী এক বছরের মধ্যে এই সংখ্যা আরো ২০ হাজার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ২০৩০-এর দশকের শুরুতে সেনাবাহিনীকে ২ লাখ ৬০ হাজারে উন্নীত করা, যার সঙ্গে আরো ২ লাখ রিজার্ভ সদস্য যুক্ত থাকবে।
ট্রাম্প প্রশাসন ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানোর জন্য চাপ দিয়ে আসছে। এখন রাশিয়ার হুমকি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মুখে জার্মানি সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। ২০১১ সালে সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা বাতিল করেছিলেন।