নিহত বড়ভাইজোড়া গ্রামের রিপা বেগমের ছেলে।সে হরিণবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় বাসিন্দা আবু সালেহ মসজিদের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে ইঁদুর দমনের উদ্দেশে অবৈধভাবে ধানক্ষেতে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পাতেন। সকালে ইমরান তার মায়ের সঙ্গে ধানক্ষেতে ছাগলের জন্য ঘাস কাটতে যায়। এসময় ফাঁদের কোনো সতর্কবার্তা বা চিহ্ন না থাকায় অসাবধানতাবশত ইমরান তাতে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।কৃষিক্ষেতে এভাবে বৈদ্যুতিক ফাঁদ পেতে রাখা মারাত্মক অপরাধ। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ছাড়া এমন দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব না। ইমরানের মা রিপা বেগম বলেন, ‘আমি বুঝতেই পারিনি ওখানে বিদ্যুৎ ছিল। সেই ফাঁদে জড়িয়ে মুহূর্তেই আমার ছেলেটা চোখের সামনে নিথর হয়ে গেল।তালতলী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম মো. ইমরান শেখ জানান, মসজিদের সংযোগ ব্যবহার করে ধানক্ষেতে বিদ্যুৎ নেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।