সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে এক দীর্ঘ পোস্ট দেন তিনিসেখানে বিশ্বজিৎ লেখেন,‘২০০৯ সালে মৌচাকে ঢিল পত্রিকায় প্রকাশিত আমার ছোটগল্প পাঠকের বিপুল সাড়া ফেলেছিল। ‘‘সময়’’ নামের সংকলনের প্রতিটি সংস্করণেই ‘‘মানুষ’’ গল্পটি রয়েছে। সুজন বড়ুয়ার ‘‘বান্ধব’’ সিনেমার ট্রেলার দেখে নিশ্চিত হয়েছি, ছবির কাহিনি সেই গল্প থেকে নেওয়া। অথচ আমাকে কিছুই জানানো হয়নি, নামও ব্যবহার করা হয়নি।তবে ছবিটির নির্মাতা সুজন বড়ুয়া কালের কণ্ঠকে জানাচ্ছেন তিনি কোনো গল্প চুরি করেননি। এই গল্প তাঁর ভাবনাতেই ছিল। আজ সোমবার কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘আমি কারো গল্প চুরি করিনি। গল্পটি আমার মাথাতেই ছিল।আমি দীর্ঘদিন ধরে এই গল্প নিয়ে ঘুরেছি। এরপর ২০১৭ সালে ছবি নির্মাণ করার কথা ভাবি।’বিশ্বজিৎ দাস বলছেন, ‘আমি কোনো দিন কাউকে এই গল্পের সিনেমা বা নাটক নির্মাণের স্বত্ব দিইনি। এটি সম্পূর্ণ চৌর্যবৃত্তি। আমি সিনেমার বিরোধিতা করছি না, তবে যদি পরিচালক ও প্রযোজক আমাকে গল্পকার হিসেবে স্বীকৃতি দেন, সেটিই হবে ন্যায্য।দিনাজপুর সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এই লেখক জানান, তার গল্পগুলো ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জাতীয় পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং সময় নামের সংকলন আকারে বেরিয়েছে একাধিক সংস্করণে। তাই এই ধরনের ‘গল্প চুরি’ তার কাছে দুঃখজনক।অবশ্য নিজের গল্পে ‘বান্ধব’ চলচ্চিত্রটি নির্মিত হলেও নির্মাতা সুজন বড়ুয়া জানালেন, তিনি কোনো গল্পকার নন। কালের কণ্ঠকে তিনি বললেন, ‘আমি পেশাদার কোনো গল্পকার নই। আমার কোনো গল্পের বই নেই। কিন্তু এই গল্পটি আমার লেখা।’ সিনেমাটি নিয়ে আশাবাদী পরিচালক সুজন বড়ুয়া। তিনি গণমাধ্যমে এর গল্প সম্পর্কে জানান, ডাস্টবিন থেকে কুড়িয়ে পাওয়া জন্মপরিচয়হীন এক শিশুর জীবনগল্প উঠে এসেছে ‘বান্ধব’ সিনেমায়। মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌ খান। আরো আছেন গাজী রাকায়েত, রেবেকা রউফ, জয় রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, হাবিব খান, আসমা শিউলি, আরফান প্রমুখ।