শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালত জামিন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন দেলোয়ার হোসেন, সৈয়দ আহমেদ শুভ, শাহজাহান, অপূর্ব ইসলাম, শরিফুল ইসলাম নিলয়, জাহিদ হাসান হৃদয়, শাহেদ ভূঁইয়া, বুলবুল আহমেদ, দীপক হাজরা, মান্না হোসেন, ইয়াছিন আরাফাত অর্নব, আশরাফ উদ্দিন, শাহ জালাল, শাহিন, নাঈম, সাইদুর রহমান, ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয়, রমজান, সাব্বির হোসেন, শাহিন, তরিকুল ইসলাম রিফাত, মঈন হোসেন রাজন, অনিক হোসেন, তরিকুল ইসলাম, রিফাত হোসেন, হানিফ মিয়া, শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি, সোহানুল হক, তারেক আজিজ, সাজ্জাদ ইসলাম, শিপন, এজাজ হোসেন সিয়াম, উনায়েস ইমরান, মনিব আক্তার, হারিজ, সাব্বির হোসেন বিজয়, এস এম মতিউর রহমান, রাজন শেখ, আবু সাদিক রাকিব, মামুন ব্যাপারী, মজিবুর রহমান, সালাউদ্দিন ব্যাপারী, আমিনুল ইসলাম নাইম, রাকিবুল হাসান রাকিব ও আব্দুল্লাহ সবুজ।এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়।এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে আইনজীবী সাগর তরফদারসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত থেকে জামিন নামঞ্জুর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর প্রতিবাদে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভবনে সামনে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা।এ সময় মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে বিটিআরসি ভবনে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ ঘটনায় বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্স বিভাগের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জাহেদ শেরেবাংলা নগর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।