প্রায় ৬০টি দেশ ঘুরে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০০০ সালে প্রথম আলোতে কন্ট্রিবিউটর রিপোর্টার হিসেবে তার সাংবাদিকতার যাত্রা শুরু। পরবর্তীতে তিনি কাজ করেছেন চ্যানেল এস, বাংলা টিভি ও ইকরা টিভির মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের জনপ্রিয় গণমাধ্যমে।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার কাজের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে দায়িত্ববোধ আর ঝুঁকি নেওয়ার সাহস।

প্রকৃতির ভয়াবহতা কিংবা মানুষের তৈরি যুদ্ধ—সবখানেই তিনি ছিলেন ঘটনাস্থলে। নেপালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে তুলে এনেছেন মানুষের বেঁচে থাকার গল্প।রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছুটে গেছেন সংঘাতপূর্ণ এলাকায়।সবচেয়ে দীর্ঘ ও কঠিন সময় কাটিয়েছেন সিরিয়ায় টানা ১৮ মাস, যেখানে তিনি ১১টি দেশের সীমান্তে রিফিউজি ক্রাইসিসের খবর কভার করেন। উদ্বাস্তু শিশুদের কান্না, নারীদের অসহায়ত্ব আর বৃদ্ধদের নীরব যন্ত্রণাকে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে তুলে ধরেছেন বিশ্ববিবেকের সামনে।এ ছাড়া তিনি সংবাদ সংগ্রহ করেছেন পূর্ব আফ্রিকার দুর্ভিক্ষ, ইন্দোনেশিয়ার সুনামি, হাইথি সাইক্লোন, এবং মানব ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক অধ্যায় রোহিঙ্গা সংকট থেকে।
এই বহুমাত্রিক ও মানবিক সাংবাদিকতার স্বীকৃতি মিলেছে প্রবাসেও।রবিবার ব্রিটেনের বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব আ স ম মাসুমের প্রতিষ্ঠিত মাল্টিমিডিয়া চ্যানেল ‘রানার টিভি’-কে সবচেয়ে জনপ্রিয় নিবন্ধিত টিভি চ্যানেল হিসেবে ঘোষণা করে। এটি তিনি ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন।অনুষ্ঠানে তাকে ব্রিটেনের সেরা বাংলাদেশি সাংবাদিক হিসেবে সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় তার হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা স্নারক ও সেরা সাংবাদিকের স্বীকৃতিপত্র, যা তার দীর্ঘদিনের সাহসী, নির্ভীক ও মানবিক সাংবাদিকতার প্রতি এক অনন্য স্বীকৃতি।