ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সামরিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বোর্ডটি যুক্তরাজ্য সরকার ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং তাদের পরামর্শ অনুসরণ করছে।আজ রোববার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি। তবে অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা শঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় ম্যাচটি আর মাঠে গড়ায়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পরবর্তী সূচি নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।