প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বাংলাদেশি দুই যুবক প্রায় ছয় মাস ধরে এই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহ ও মানসিক চাপ থেকে তাদের মধ্যে ঝগড়ার জের ধরে এই ঘটনা ঘটতে পারে।তারা আরো জানান, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে ওই বাড়ি থেকে দুই যুবকের মধ্যে ঝগড়া ও উচ্চৈঃস্বরে চিৎকারের শব্দ শোনা যায়। পরে তাদের এক রুমমেট ঘরে ফিরে এসে দুজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। স্থানীয় নাগরিক জুহাইলির ভাষ্য মতে, তিনি বাড়িতে প্রবেশ করে দেখেন, রান্নাঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে। মেঝেতে একজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে।অন্যজন সম্ভবত ঘরের ভেতরে ফাঁস দিয়েছেন, তবে তখন ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি জানান, এই দুই যুবক পাশেই একটি নির্মাণ সাইটে কাজ করতেন। প্রতিবেশীর সঙ্গে তাদের খুব একটা ঘনিষ্ঠতা না থাকলেও দেখা হলে তারা নিয়মিত শুভেচ্ছা জানাতেন।নিহত দুজনের মধ্যে একজন ইন্দোনেশিয়ান নারীকে বিয়ে করেছিলেন এবং তাদের একটি শিশুও ছিল। তবে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যান।জুহাইলি দাবি করেন, এর আগেও প্রতিবেশী হিসেবে তাদের (স্বামী-স্ত্রী) মধ্যে ঝগড়া শুনেছিলেন। প্রায়ই শোনা যেত যে, তার স্ত্রী তাকে কাজ করা নিয়ে বকাঝকা করছেন। জুহাইলি মনে করেন, সম্ভবত সেই মানসিক চাপ থেকেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।রাত আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে ফরেনসিক দল ও পুলিশ এসে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনার কারণ এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।