অন্যদিকে পাইওগ্লিটাজোন শরীরে সোডিয়াম ও পানি জমিয়ে রাখে, যার ফলে পা বা পায়ের গোড়ালি নরম হয়ে যাওয়া বা ফুলে যেতে পারে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে বা যারা বেশি মাত্রায় এই ওষুধ গ্রহণ করেন তারা এই সমস্যায় বেশি পড়েন।এ ছাড়া প্রেগাবালিন নামের একটি ওষুধ, যা সাধারণত স্নায়ুর ব্যথায় দেওয়া হয়, সেটিও একইরকম ফোলাভাব সৃষ্টি করতে পারে। ‘এই ওষুধ ক্যাপিলারির পারমিয়াবিলিটি বাড়িয়ে দেয় এবং শিরায় রক্ত জমে থাকে, ফলে পায়ের নিচে ফোলাভাব বা ফুলে যাওয়া দেখা দেয়তিনি পরামর্শ দেন, যদি কেউ নতুন করে এই ওষুধগুলো শুরু করার পর পায়ে ফোলাভাব লক্ষ্য করেন, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। প্রয়োজনে ওষুধের ডোজ পরিবর্তন বা বিকল্প ওষুধ বিবেচনা করা হতে পারে।