ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার চুনকা গ্রামের হৃদয় মিয়া বলেন, প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে কোনও সরকার সোচ্চার নয়। আমরা চাই বাংলাদেশ সরকার সকল প্রবাসীকে প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে তাদেরকে বিশেষ সেবা দিক। এতে প্রবাসীরা সন্তুষ্ট হয়ে, সম্মানিত হয়ে আরো রেমিট্যান্স পাঠাতে উদ্বদ্ধু হবে।
মালয়েশিয়া বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজি সালাহ উদ্দিন বলেন, আমাদের অনেক প্রবাসী বিদেশে দীর্ঘদিন কাজ করে যখন দেশে যায় তখন দেশে নানা সমস্যার মধ্যে পড়েন। অনেকে নিঃস্ব হয়ে দেশে যান। তাদেরকে প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা উচিত। আমরা মালয়শিয়া বিএনপির পক্ষ থেকে হাই কমান্ডকে এসব বলেছি। আমরা সরকারে আসলে আশা করি দল এটা করবে। আর প্রবাসী কার্ড করা গেলে আগামীতে জাতীয়তাবাদী শক্তি প্রবাসেও আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
মালয়েশিয়া ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ড. এনামুল হক বলেন, প্রবাসীদের এই দাবিটি যৌক্তিক। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) প্রবাসীদের রেজিস্ট্রেশন করে একটি কার্ড দেয়। এটি প্রবাসীদের জন্য একটি সরকার স্বীকৃত পরিচয় কার্ড। যার মাধ্যমে বিদেশে নিরাপত্তা সহায়তা প্রদান, আইনি সহায়তা, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহায়তা, সরকারি সেবা ও সহযোগিতা, দেশে ফেরার পর সুবিধা পাওয়ার কথা উল্লেখ আছে। কিন্তু বাংলাদেশে এই কার্ড পেতে নানা ধাপে হয়রানি হতে হয়। ভবিষ্যতে প্রবাসী কার্ড করা হলে বা এই কার্ডকে সময়োপযোগী ও কার্যকর করলে তবেই প্রবাসীরা সুফল পাবেন।