কাতারের ঐতিহাসিক লুসাইল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ফাইনালে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মরক্কো।ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে নেওয়া ওসামা তান্নানের গতিময় শট জর্ডান গোলরক্ষকের হাত ফাঁকি দিয়ে জালে জড়ায়।গোল হজমের পর কিছুটা চাপে পড়লেও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে জর্ডান। তবে মরক্কোর আক্রমণ থামেনি।অষ্টম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে কারিম এল বেরকাউয়ির জোরাল শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন জর্ডান গোলরক্ষক। ৩৩তম মিনিটে ম্যাচে নিজেদের প্রথম বড় সুযোগ পায় জর্ডান। হুসাম আবু আল দাহাবের হেড ঝাঁপিয়ে ঠেকান মরক্কো গোলরক্ষক মেহদি বেনাবিদ। এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় মরক্কো।
অতিরিক্ত সময় শুরু হতেই আবার উত্তেজনা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই জালে বল পাঠান মোহান্নাদ আবু তাহা। তবে হ্যান্ডবলের কারণে গোলটি বাতিল হয়। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে রুদ্ধশ্বাস লড়াই চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কর্নার থেকে মারওয়ানে সাদানের হেডে পোস্টের খুব কাছাকাছি বল পেয়ে যান আব্দেররাজ্জাক। সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করে মরক্কোকে এগিয়ে দেন আল শাবাবের এই ফরোয়ার্ড।
বাকি সময় ব্যবধান ধরে রেখে আরব কাপে নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপার উল্লাসে মাতে মরক্কো। ২০১২ সালে প্রথমবার ফাইনাল খেলেই শিরোপা জিতেছিল তারা, এবারও ফাইনাল মঞ্চেই হাসল উত্তর আফ্রিকার দলটি।
শিরোপা জয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই সামনে আরেক বড় পরীক্ষা। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে নামতে হবে মরক্কোকে।