মুফতি আমির হামজা বলেছেন, আজকে অনেকের মাথায় টুপি দেখে মনে হচ্ছে তারা ইবাদত করেন। আমরা চাই এই পরিবেশ যেন বাকি ১১ মাসও বজায় থাকে। শুধু রমজান এসেছে বলেই মাথায় টুপি তুলবেন না। এখন যে অবস্থায় পাচ্ছি, আগামী ১১ মাসও আপনাদের এমন চেহারা, সুরত এবং কর্ম আমরা দেখতে চাই।
তিন বলেন, আপনাদের (সাংবাদিক) এই কাজকে আমরা ছোটখাটো হিসেবে দেখি না; বিশেষ করে আমি একে মহান পেশা মনে করি। আপনারা যে মহান পেশায় নিয়োজিত থেকে তথ্যগুলো জাতির সামনে তুলে ধরেন, সেই কাজটা যে ইবাদত— তা আমরা অনেকেই মনে করি না।
ইফতার মাহফিলে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সূজা উদ্দিন জোয়ার্দারের সভাপতিত্বে ও শহর জামায়াতের আমির এনামুল হকের সঞ্চালনায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য অধ্যক্ষ (অব.) খন্দকার একেএম. আলী মুহসিন।
এ সময় গণমাধ্যমকর্মীসহ জেলা জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।