হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেলেও ২১ মিনিটে নাপোলির অধিনায়ক জিওভান্নি দি লরেন্সো ভয়ংকর ভুল করে বসেন।গোলরক্ষককে একা পেয়ে এগিয়ে যাওয়া হালান্ডকে থামাতে ডি-বক্সের বাইরে ফাউল করে বসেন তিনি। ভিএআরের সহায়তায় রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখান ইতালিয়ান এই ডিফেন্ডারকে। এক ঝটকায় এলোমেলো হয়ে যায় নাপোলির সব পরিকল্পনা।একজন কম নিয়ে বাকি সময়টা রক্ষণে দেয়াল তুলতে ব্যস্ত থাকতে হয় অতিথিদের।তবু বারবার ফাটল ধরে ইতালিয়ান রক্ষণে। প্রথমার্ধেই ১৬টি শট নেয় সিটি, যার পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। নাপোলির ভরসা তখন শুধু গোলরক্ষক মিলিনকোভিচ-সাভিচের সেভ।তবে দ্বিতীয়ার্ধে বেশিক্ষণ চাপ সামলানো যায়নি।৫৬ মিনিটে ফিল ফোডেনের উঁচু করে বাড়ানো বল মাথা ছুঁইয়ে জালে পাঠান হালান্ড। এর মধ্য দিয়েই রেকর্ডবইয়ে নতুন অধ্যায় লেখেন তিনি—মাত্র ৪৯ ম্যাচে চ্যাম্পিয়নস লিগের দ্রুততম ৫০ গোল! আগের রেকর্ড ছিল রুড ফন নিস্টলরয়ের, ৬২ ম্যাচে।সিটি থামেনি সেখানেই। নয় মিনিট পর ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে স্কোরলাইন ২-০ করেন ডোকু। প্রতিপক্ষের চার ডিফেন্ডারের ভিড় ঠেলে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।এরপর ম্যাচের গতি কিছুটা কমলেও জয় নিশ্চিত হয় আগেই। পুরো ম্যাচে নাপোলির একমাত্র শটই থেকে যায় তাদের আক্ষেপের প্রতীক হয়ে।