উত্তর : এই এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা নদীভাঙন। বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনের কারণে জমি ও বসতভিটা সংকুচিত হয়ে পড়ছে। নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এ ছাড়া যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। অনেক এলাকায় সড়ক ও ছোট ছোট সেতুর অভাব রয়েছে। সংযোগস্থলে প্রয়োজনীয় সেতুগুলো নির্মাণ করা গেলে মানুষের চলাচল সহজ হবে।
এসব সেতু নির্মাণে আনুমানিক ১০০ থেকে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। যথাযথ উদ্যোগের অভাবে এত দিন এসব কাজ হয়নি। আমি নির্বাচিত হলে দ্রুত এসব অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করব।
প্রশ্ন : আসন্ন নির্বাচনে আপনাদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে জামায়াতকে দেখা হচ্ছে। জয়ের ব্যাপারে আপনারা কতটা আশাবাদী?
উত্তর : বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জামায়াত আমাদের প্রতিপক্ষ। একসময় তারা আমাদের সঙ্গে ছিল, আবার আওয়ামী লীগের সঙ্গেও ছিল। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলের সঙ্গে থেকে তারা ক্ষমতার স্বাদ নিয়েছে। এখন তারা রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণের চেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি, দেশের মানুষ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন চায়। সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে বিএনপিই। জনগণ ধানের শীষে ভোট দেবে এবং বিএনপিকে বিজয়ী করবে—এই বিশ্বাস আমাদের আছে।
প্রশ্ন : রৌমারী-রাজিবপুর ও জামালপুর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল। আপনি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের উন্নয়নে কী ধরনের উদ্যোগ নেবেন?
উত্তর : রৌমারী-রাজিবপুর এলাকায় একটি কলেজ রয়েছে, যেখানে মুক্তিযুদ্ধকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। এই অঞ্চলটির সঙ্গে আমাদের দলের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে এসব অঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। পর্যাপ্ত বরাদ্দ এনে শিক্ষা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করা হবে।