তাদের মধ্যে লাইট সহকারী রবিন, শাহাদাত, হৃদয়, পিকআপ ড্রাইভার ইব্রাহীম, জেনারেটর অপারেটর আবদুর রাজ্জাকসহ আরো দুজন আহত হয়েছেন। সবচেয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় আছেন রবিন ও হৃদয়।রবিন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর হৃদয় জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনায় তার চোয়াল আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, পড়ে গেছে পাঁচটি দাঁত। বাকিরাও মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন।এর মধ্যে আরো দুজন ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আজ সোমবার লাইট সহকারী রবিনের বাঁ হাতটি কেটে ফেলা হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার একটি পা-ও ঝুঁকিতে আছে। এ ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন রবিন।এখন কিভাবে চিকিৎসার খরচসহ পরিবার চালাবেন, সে চিন্তায় দিন কাটছে তার। রবিন গণমাধ্যমে জানান, শুটিংয়ের জন্য আলাদা গাড়ি থাকলেও তাকে তাতে না পাঠিয়ে জেনারেটরের পিকআপে পাঠাতে বাধ্য করা হয়।ঢাকা থেকে ভোর ৪টায় রওনা দিয়ে সাড়ে ৬টার দিকে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার এলাকায় পৌঁছালে একটা লরিকে ধাক্কা দেয় পিকআপটি। তাতেই গুরুতর আহত হন তারা।এ ঘটনায় দায় নিচ্ছেন না প্রাঙ্ক কিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও নাট্যনির্মাতা আর্থিক সজীব, তিনি দুর্ঘটনার দায় দিচ্ছেন লাইট হাউসকে।