বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র সমন্বয় দপ্তরের পরিচালকও অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী কলেজ পরিদর্শক ও চাকরি রক্ষা কমিটির সাবেক মহাসচিব মোহাম্মদ মিয়া হোসেন রানা, মিয়াজ উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, মো. জলিলুর রহমান, আব্দুল মতিন, কামরুল ইসলাম সরকার, আফজাল হোসেন প্রমুখ।বক্তারা বলেন, ২০০৩ সালের ১৭ নভেম্বর থেকে ২০০৪ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তারা নিয়মমাফিক নিয়োগ পান। ওই নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট ও সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে রাব্বী মিয়া। চূড়ান্ত শুনানির পর ২০০৬ সালের ২২ আগস্ট আদালত রিটটি খারিজ করে দেন। আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়েন তারা।হাইকোর্টের অন্য একটি দ্বৈত বেঞ্চে এই রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করেন গাজীপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আ ক ম মোজাম্মেল হক। শুনানির পর ২০১১ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে তাদের ৯৮৮ জনকে কোনো রকম বিলম্ব ছাড়াই অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ২৭ মে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাদের পুনর্বহালের রায় দেন।এক যুগের বেশি সময় পর চাকরিতে যোগদান করেন। কিন্তু পদোন্নতি বঞ্চিত থাকায় অনেক জুনিয়র কর্মকর্তা-কর্মচারী তাদের চেয়ে উচ্চতর পদ এবং বেতন-ভাতা ভোগ করছেন। এতে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তাই দ্রুত পদোন্নতি বৈষম্য দূর করার প্রয়োজন।সমাবেশ শেষে পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিছিল সহকারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের দপ্তরে যান এবং ১৮ দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এস আমানুল্লাহর নিকট প্রদান করেন।