রবিবার (২৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে জার্মান সংসদ সদস্য বোরিস মিয়াতোভিচের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উপদেষ্টা বলেন, ‘শ্রম অধিকারের সুরক্ষা, পেশাগত স্বাস্থ্য, শোভন কর্মপরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক শ্রম মান বাস্তবায়নে এ সংশোধন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
তিনি জানান, শ্রম আইন সংশোধনে আইএলওর রোডম্যাপ, যুক্তরাষ্ট্রের ১১ দফা শ্রম অধিকার শর্ত, ইউরোপীয় অ্যাকশন প্ল্যান ও শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।এতে শ্রমিক সংগঠনের স্বাধীনতা, যৌথ দর-কষাকষির অধিকার, নারী শ্রমিকের সুরক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে হয়রানি প্রতিরোধের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন আইএলওর ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুস্বাক্ষরকারী দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ। সম্প্রতি পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (C155, C187) এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা প্রতিরোধ (C190) কনভেনশন অনুস্বাক্ষরের মাধ্যমে শ্রম অধিকার বাস্তবায়নে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে বাংলাদেশ।’