তবে এ ক্ষেত্রে যেন কোনো নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার না হয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী যেন সেদিকে খেয়াল রাখে।’সোমবার (২৭ অক্টোবর) পুলিশ সদরদপ্তরে ‘হল অব প্রাইড’ সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ পুলিশ আয়োজিত বিশেষ অপরাধ পর্যালোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘অধীনস্থ পুলিশ অফিসার ও ট্রুপসদের পেশাদারি, টিম স্পিরিট, শৃঙ্খলা ও মনোবল বাড়াতে পদক্ষেপ নিতে হবে। অধীনস্থদের মধ্যে যাদের পেশাদারি নেই, শৃঙ্খলা নেই, কমান্ড মানতে চায় না, যারা সরকার ও রাষ্ট্রের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।তিনি বলেন, ‘জেলা পর্যায়ে ঘন ঘন কোর কমিটির সভা আহ্বান করতে হবে। রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহার এবং মিথ্যা মামলা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চকে আরো সক্রিয় করতে হবে। জেলার সব বিষয় নখদর্পণে রাখতে হবে।থানা থেকে লুট হওয়া, হারানো বা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান ত্বরান্বিত করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জেলার কেপিআইগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। অগ্নিকাণ্ডের মত দুর্ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে পুলিশসহ সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’