সামান্তা শারমিন : ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। এক দিনে ৪৮ জন অনলাইন ফরম পূরণ করেছেন। অফিস থেকে সরাসরি ফরম নিয়েছেন আরও ১০ জন। সর্বোচ্চসংখ্যক মনোনয়ন আবেদন ফরম বিক্রি হবে। এনসিপি এবার সংসদে জনগণের সত্যিকার প্রতিনিধি পাঠাবে।
বাংলাদেশ প্রতিদিন : বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। এনসিপি প্রথমবারের মতো নির্বাচনের মাঠে নামছে। দলীয় ফান্ডের বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে কি?
সামান্তা শারমিন : আমরা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার উদাহরণ গড়তে চাই। আমাদের দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এ বিষয়গুলো ধাপে ধাপে আরও বিস্তারিতভাবে সবার সামনে তুলে ধরবে। নির্বাচনি ব্যয় সামলাতে দুইভাবে দলীয় ফান্ড জোগাড় করা হবে। প্রথমত দলের নির্বাচনি প্রচারের জন্য আমরা ক্রাউড ফান্ডিং করব। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সাহায্য চাইব। দ্বিতীয়ত প্রতিটি আসনে পছন্দের প্রার্থীর নির্বাচনি ক্যাম্পেইনে সহযোগিতা করতে আগ্রহীরা ওই প্রার্থীকে খরচ দিতে পারবেন।
বাংলাদেশ প্রতিদিন : নির্বাচনি জোটের বিষয়ে এনসিপির সর্বশেষ চিন্তা ভাবনাটা যদি বলতেন।
সামান্তা শারমিন : নির্বাচনি জোটের চেয়ে আমরা এককভাবে নির্বাচন করতে বেশি আগ্রহী। এ লক্ষ্য ধরেই আমরা প্রার্থী তালিকা তৈরি করছি। যদি জোট হয়, তাহলে অবশ্যই পরিবর্তনকামী এবং সংস্কারপন্থি দলগুলোর সঙ্গে হতে পারে।