একজন পুলিশ সদস্য যখন ঘুষ দিয়ে একটি পদে আসেন তখন তিনি সৎ থাকবেন কীভাবে?
ভূমি অফিসের পদায়ন হলো আরেক ঘুষের খনি। এখানে ঘুষ লেনদেন হয় মূলত সাব-রেজিস্ট্রার পদ ঘিরে। এই সাব-রেজিস্ট্রাররাই হলেন এই খাতের কালেক্টর। জনগণের কাছ থেকে তারাই সরাসরি অর্থ আদায় করেন। এই টাকা পদ অনুযায়ী বণ্টন হয় সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত। সাব- রেজিস্ট্রারেরও কিছু নির্দিষ্ট পদ আছে, যেসব বিক্রি হয় রীতিমতো নিলামে। গুলশান, গাজীপুর, রূপগঞ্জ, কেরানীগঞ্জের মতো জায়গায় সাব- রেজিস্ট্রার হিসেবে পদায়নের জন্য লাগে কয়েক কোটি টাকা।
বন বিভাগ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ ইত্যাদি বিভাগে নিম্ন পদের চেয়ে উচ্চ পদ অনেক ব্যয়বহুল। ২০২৩ সালে একটি প্রধান প্রকৌশলীর পদ শতকোটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছিল। ডাক্তারদের পদায়নেও বাণিজ্য হয়। একজন চিকিৎসককে ঢাকায় বদলি হতে লাখ টাকা গুনতে হয়। এভাবে ঘুষ দিয়ে যখন একজন একটা চেয়ারে বসেন, তখন তার প্রধান এবং একমাত্র লক্ষ্য হয় দুর্নীতি। এভাবেই দুষ্টচক্রে আটকে আছে বাংলাদেশ।