হবে আশা করছি। নির্বাচন কিন্তু সব শেষ নয়। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটা ডেমোক্র্যাসিতে ফিরে যাওয়া এবং ডেমোক্র্যাটিক কালচার গড়ে তোলা, এটাই সবচেয়ে বড় অভাব।’ গতকাল দুপুরে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন সামনে হলেও এটি কোনো শেষ লক্ষ্য নয়, বরং দেশকে গণতন্ত্রে ফেরানোটাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।’ তিনি বলেন, ‘টেকসই রাষ্ট্র গড়তে হলে বিচার বিভাগ, সংসদ, গণমাধ্যম ও প্রশাসনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে হবে।’বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশে একদিকে শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের রায় দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে মবোক্র্যাসি ভায়োলেন্স চলছে। এটা কীসের আলামত? এ রায়ের গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়ার জন্য একটা বিশেষ মহল বিশ্বদৃষ্টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য এ কাজগুলো করে।এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। কোনো মহল সচেতনতার সঙ্গে, অত্যন্ত ধূর্ততার সঙ্গে, চালাকির সঙ্গে এটা করার চেষ্টা করছে কি না, দেখা উচিত। কোনো মহল বিভক্তি সৃষ্টি করছে কি না, দেখা উচিত।’তিনি বলেন, ‘বিএনপি একটি লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। পৃথিবীর কোনো লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এ রকম অত্যাচার-নির্যাতন-নিপীড়ন-হত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে গেছে কি না জানি না।