রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি ও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে এই আসনে বিএনপির ভোট ভাগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্য থেকে যে কেউ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পথটি খুব সহজ থাকছে না। আর সেই সুযোগে জামায়াত ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই অঞ্চলে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের ভোটের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য। তাদের ভোট যিনি নিজের পক্ষে নিতে পারবেন তিনিই হাসবেন শেষ হাসি।
এ আসনের ভোটাররা কেউ কেউ বলছেন হিলালী নির্যাতিত নেতা, এলাকার উন্নয়নে সংসদে যেতে সুযোগ করে দিতে চান তাকে। আবার কেউ বলছেন দুলাল জনসম্পৃক্ত ব্যক্তি তিনিই হাসবেন শেষ হাসি। আবার কেউ কেউ বলছেন একবার সুযোগ করে দিতে চান জামায়াতকে।
ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত মাঠে ছিলাম এবং আছি। আমি জনগণের ভালো সাড়া পাচ্ছি। মানুষ এই আসনে শহীদ জিয়া এবং খালেদা জিয়ার প্রতীক ধানের শীষকে বিজয়ী করবে, ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীকে দলের মাথাব্যথার কারণ হিসেবে দেখছি না। ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে, ইনশাল্লাহ।
বিএনপির বিদ্রোহী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ভুঁইয়া জানান, আমি দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি ছিলাম। মানুষের সাথেই আমার চলাফেরা। মাঠ পর্যায়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এবং মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে আমি জয়ী হব, ইনশাল্লাহ।
জামায়াত মনোনীত প্রার্থী খাইরুল কবির নিয়োগী জানান, মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। আমরা মাঠ পর্যায়ে ভালো সাড়া পাচ্ছি। জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে আমরা জয়ী হব, ইনশাআল্লাহ।
সব মিলিয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোনা-৩ আসনে কার হাতে যাবে জয়, তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। আটপাড়া ও কেন্দুয়ার মানুষের প্রধান প্রত্যাশা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান। ফলে এই আসনে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।