পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক ফুল এয়ারপোর্ট ইমার্জেন্সি ঘোষণা করেন এবং ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার সক্রিয় করা হয়। বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, সিভিল ডিফেন্স ও মেডিকেল ইউনিটসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে অভিযানে অংশ নেয়।