বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমান চলাচল বাজার চীনে আধিপত্য বিস্তারের জন্য বোয়িং ও এয়ারবাসের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে। ২০১০-এর দশকে এয়ারবাস বাজারে বোয়িংকে ছাড়িয়ে যায় এবং তিয়ানজিনে একটি এ৩২০ বিমান সংযোজন কারখানাও চালু করে। চীনে বিমান ভ্রমণের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তাই দেশটিকে দুই কম্পানি থেকেই নতুন বিমান কিনতে হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে চীনের প্রায় এক হাজার নতুন বিমানের প্রয়োজন। বোয়িং ও এয়ারবাসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৪৫ সালের মধ্যে চীনের অন্তত নয় হাজার নতুন যাত্রীবাহী জেট বিমানের দরকার হবে।
বোয়িংয়ের সঙ্গে দেশটির সর্বশেষ বড় অর্ডারটি এসেছিল ২০১৭ সালের নভেম্বরে ট্রাম্পের বেইজিং সফরের সময়। তখন দেশটি ৩০০টি বোয়িং জেট কেনার ব্যাপারে সম্মত হয়েছিল। এরপর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে ওঠে এবং তারপর থেকে বোয়িং মূলত মালবাহী বিমানের জন্য ৫১টি অর্ডার পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং আগে থেকেও বড় কূটনৈতিক বৈঠরের সময় বড় বিমান কেনার ঘোষণা দিয়ে এসেছে। এসব ঘোষণা শুধু ব্যবসায়িক চুক্তি নয়, রাজনৈতিক সম্পর্কের অবস্থাও তুলে ধরে। চীনা বিমান সংস্থাগুলোকে বিমান কিনতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন নিতে হয়। এই অনুমোদন অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফর বা শীর্ষ সম্মেলনের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
বিশ্লেষক ম্যাট একার্স রয়টার্সকে বলেন, এই সফর থেকে আরো নতুন অর্ডার আসতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বিনিয়োগকারীরা এটিকে প্রত্যাশার তুলনায় কম হিসেবেই দেখছেন।