যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটিই ভ্যান্সের প্রথম ভারত সফর।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এরই মধ্যে বৈঠক করেছেন ভ্যান্স। বৈঠকে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে।ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই আগাম বাণিজ্য চুক্তির আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিকে মোদি এবং ভ্যান্স দুজনই স্বাগত জানিয়েছেন। বাণিজ্য এবং শুল্কই ছিল দুজনের আলোচ্যসূচির শীর্ষে।ভারতে পা রেখেই সপরিবারে অক্ষরধাম মন্দিরে গিয়েছিলেন ভ্যান্স। এরপর সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক এবং নৈশভোজের পর জয়পুর এবং আগ্রার তাজমহল দেখতে যাওয়ার কথা রয়েছে ভ্যান্সের।এইসব স্থান ভ্রমণের মধ্য দিয়ে পারিবারিক সফর হচ্ছে ভ্যান্সের। তবে তার এ সফর কূটনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশেষ করে ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির আবহে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ভারতের ওপর চাপানো অতিরিক্ত শুল্কের বোঝা আপাতত ৯০ দিনের জন্য স্থগিত রেখেছেন ট্রাম্প। প্রতিটি দেশের সঙ্গে আলাদাভাবে দ্বিপক্ষীয় বণিজ্য চুক্তির পথ খুলতে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।ভারতের সঙ্গে এমন একটি বণিজ্য চুক্তি হলে উভয় দেশই উপকৃত হতে পারে। হোয়াইট হাউজ জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের বিষয়ে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি হলে তা বিশ্বের বৃহত্তম পণ্য প্রস্তুতকারক চীনের সঙ্গে তাদের বাণিজ্য যুদ্ধের ধাক্কা কিছুটা হলেও কমাতে সাহায্য করবে যুক্তরাষ্ট্রকে।ভারতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে, জুলাই মাসের শেষের মধ্যেই এ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার ব্যাপারে তারা আশাবাদী।নয়াদিল্লির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মধ্যে বৈঠকের পর, এ সপ্তাহে নির্দিষ্ট একটি বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কিত আলোচনা হবে।