রূপসা উপজেলায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কেডিএ) এর উদ্যোগে জনসাধারণের সঙ্গে কেডিএর সেবা কার্যক্রম ও মাস্টার প্ল্যান বিষয়ে অবহিতকরণ এবং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে রূপসা উপজেলা মডেল মসজিদ অডিটোরিয়ামে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেডিএর চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ একটি অঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত। কেডিএর মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের মাধ্যমে রূপসাসহ বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলে আধুনিক ও পরিকল্পিত অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা সফল হতে পারে না। কেডিএ জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ভবিষ্যতে সড়ক যোগাযোগ, আবাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে রূপসাকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত করা হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। কেডিএর এ ধরনের উদ্যোগ জনগণকে উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতন করবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। স্বাগত বক্তব্য দেন কেডিএর পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. তানভীর আহম্মেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেডিএর সহকারী নগর পরিকল্পনাবিদ রাকিব হাসান।
এসময় বক্তব্য দেন কেডিএর চিফ ইঞ্জিনিয়ার কাজী মো. সাবিরুল আলম, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুর রাজ্জাক মীর, কেডিএর সদস্য রুহুল আমিন কুতুব উদ্দীন আহম্মেদ, খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা বিএনপির সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, এম এ সালাম ও আছাফুর রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুণ কুমার বালা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আহসান হাবিব প্রামাণিক, শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ারুল কুদ্দুস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ বোরহানউদ্দিন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ বজলুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ।