‘সংবিধান শুধু রাষ্ট্র পরিচালনার একটি দলিল নয়’ মন্তব্য করে এই বিচারপতি আরো বলেন, ‘এটি আমাদের স্বাধীনতার চেতনা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার। বিচার বিভাগের দায়িত্ব সেই অঙ্গীকারকে সমুন্নত রাখা।’
সংবিধানের ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে একজন বিচারক পদের মেয়াদ ৬৭ বছর পর্যন্ত। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের জন্ম ১৯৫৯ সালের ১৫ জুলাই। সে হিসাবে গতকাল ছিল তাঁর শেষ কর্মদিবস। এ উপলক্ষে তাঁকে ‘বিদায় সংবর্ধনা’ দেয় অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। আপিল বিভাগের ১ নম্বর বিচার কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনায় বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের জীবন বৃত্তান্ত ও কর্মজীবনের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ আপিল বিভাগের বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা।
উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৩ সালে জেলা আদালত ও ১৯৮৫ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন মো. আশফাকুল ইসলাম।
২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট তাঁর নিয়োগ স্থায়ী করা হয়। ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।