এমপি নজরুল সন্দেহ করেন যে ওবায়দুল্লাহই এসব গোপন ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যম ও ওই চক্রের হাতে তুলে দিয়েছেন। এই বিরোধের জের ধরে গত ১৪ জুলাই নজরুল ইসলামের নির্দেশে অন্য আসামিরা ওবায়দুল্লাহর ওপর হামলা চালায়।হামলার ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এজাহারে বলা হয়, ওই দিন সকাল ১১টার দিকে আসামি আমিনুর রহমান কৌশলে ওবায়দুল্লাহকে ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। সেখানে অন্য আসামিরা একজোট হয়ে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে আমিনুর তাকে ফ্লোরে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালান। ওবায়দুল্লাহর মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম এগিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় ওবায়দুল্লাহ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
এজাহারে বাদী আরো উল্লেখ করেন, হামলার পর থেকে আসামিরা তাকে দেখামাত্রই হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। ফলে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় আত্মগোপনে রয়েছেন।
এদিকে আদালত মামলাটি তদন্ত করে আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পল্লবী থানা-পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।