রাজনীতি থেকে বিদ্বেষ ও গালাগাল দূর করার আহ্বান জানিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘নেতিবাচক রাজনীতির চর্চা তরুণদের বিপথগামী করছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে সংগঠনের সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে। সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না করে অভ্যুত্থানের অর্জনকে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে।’
৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি
সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্বে ৩৭ সদস্যের কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। ঘোষিত কমিটিতে সম্পাদক পদে মুহাম্মদ উল্লাহ মধু এবং মুখপাত্র পদে ইকবাল হোসাইন (সাম্য শাহ) দায়িত্ব পেয়েছেন।
কমিটিতে সংগঠক হিসেবে রয়েছে ২১ জন : মোশাররফ হোসেন, এম এ আলিফ, শাহ আলম, আলিয়া ছোঁয়া, মেহেদী হাসান বাবু, ইমতিয়াজ হোসাইন লিটন, সেলিম হোসেন, আমান উল্ল্যাহ্ ফারাবী, জহিরুল ইসলাম শাকিল, নাঈম হামিদ পৃথু, নাজমুস সাকিব, শাওন রহমান, শফিকুর রহমান মোল্লা, তামিম আহম্মেদ তুরাগ, এইচ এম নাইমুল, জাহাঙ্গীর আলম সবুজ, আরিফুল ইসলাম, ইয়াসিন হাসান, কাইফা জামান, সুমাইয়া নাসরিন আশা এবং ইয়ামিন হাসান রন।
এ ছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন ১৪ জন : সর্দার আমিরুল ইসলাম, মারিয়া রিমা, ব্যারিস্টার রিজভী, ক্যাপ্টেন রেদওয়ান সিকদার, সিদ্দিকুর রহমান, সাব্বির আহাম্মদ, অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম, প্রাচ্য মোহাম্মদ, শরীফ আকন্দ, শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, আহম্মেদ রন, রবিউল ইসলাম রবি, মাহমুদ হাসান লাবলু এবং অ্যাডভোকেট প্রিয়াঙ্কা আখতার।
অনুষ্ঠানে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেটিক পার্টির আহ্বায়ক নাঈম আহমেদ, সার্বভৌমত্ব আন্দোলনের প্রধান সংগঠক শামীম রেজা, জনজোট পার্টির সভাপতি মোজাম্মেল মিয়াজিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।