স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘স্থানীয় পর্যায়ে দলের নেতারা, ইউনিয়ন, উপজেলার বা জেলার নেতারা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে ইউপি নির্বাচনে যিনি যোগ্য প্রার্থী তাকে সমর্থন দেবেন। কারণ দলীয় প্রতীকে এখন তো নির্বাচন হবে না। একজন দলীয় সমর্থিত ব্যক্তি অবশ্যই নির্বাচিত হবে।’
তিনি বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে এত অপপ্রচার, চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র হচ্ছে তারপরও জরিপে দেখা গেছে বিএনপির জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। প্রায় ৫৪, ৫৫ বা ৫৬ শতাংশ। আর ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা আরো বেশি ৬৫-৬৬ শতাংশ। সুতরাং জনগণের পক্ষে এবং স্বার্থে কাজ করলে সেই দলের সরকার কোনোদিনই ব্যর্থ হবে না, সেই সরকার জনগণের সমাদৃত সরকার হিসেবে নিয়োজিত থাকবে।
শ্রদ্ধার অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক ও বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকার বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।