উল্লেখ্য, শি চিনপিং ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত গত ব্রিকস সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এবং পারমাণবিক শক্তিধর এই দুই দেশ চীন ও ভারত হিমালয় অঞ্চলে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে। যার অনেকটাই অচিহ্নিত এবং বিতর্কিত। সীমান্তবর্তী এলাকায় কয়েক দশকের আপেক্ষিক শান্তি ২০২০ সালের সংঘর্ষের মাধ্যমে ভেঙে চুরমার হয়ে যায়, যেখানে ২০ জন ভারতীয় এবং চারজন চীনা সেনা নিহত হন। এই ঘটনার জেরে চার বছর ধরে সামরিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, যা অবশেষে ২০২৪ সালের অক্টোবরে একটি সেনা প্রত্যাহার চুক্তির মাধ্যমে নিরসন হয়।
তবে গত ১২ আগস্ট ভারত জানায় যে জুলাইয়ের শেষের দিকে একটি প্রত্যন্ত সীমান্তের কাছে ভারত ও চীনের সেনা টহলদল মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসার খবরের পর, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে, সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল গতকাল সোমবার বেইজিং সফর শুরু করেছেন, যেখানে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
ভারত ও চীন পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি তাদের মধ্যে একটি সাধারণ ঐকমত্যের ক্ষেত্র তৈরি করেছে। ফলে শি চিনপিংয়ের এই সম্মেলনে উপস্থিতি এটিই ইঙ্গিত করে যে কোনো পক্ষই চায় না বাইরের কোনো চাপ ব্রিকসের গুরুত্বকে ক্ষুণ্ন করুক।