রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি বড় বৈশ্বিক দায়িত্বও পালন করছে, আমরা এখনো প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছি।আমাদের লক্ষ্য হলো দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই উপায়ে তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন। এর জন্য অব্যাহত রাজনৈতিক সমর্থন এবং বৈশ্বিক অর্থায়ন প্রয়োজন। পাশাপাশি এই সংকটের মূল কারণগুলো সমাধান করা প্রয়োজন। কেননা এই সমস্যা মিয়ানমারে শুরু হয়েছিল এবং মিয়ানমারেই এর শেষ হতে হবে।কৃষি নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘কৃষি আমাদের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু। আমরা প্রযুক্তি, সেচ, অর্থায়ন এবং বাজারে কৃষকদের প্রবেশাধিকার উন্নত করছি। আমরা মৎস্য, গবাদি পশু এবং গ্রামীণ উদ্যোগগুলোকে সহায়তা দিচ্ছি। খাদ্য নিরাপত্তাকে অবশ্যই কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং রপ্তানি শিল্পের পরিপূরক হতে হবে। কারণ আমি বিশ্বাস করি, একটি শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতি মানেই একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ।
‘নতুন করে গড়ে ওঠা এক বিশ্বে ক্ষমতা, প্রযুক্তি ও আস্থার পথচলা’ স্লোগানে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এই সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস)।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) সভাপতি জিল্লুর রহমান ও নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ জন বক্তা, ৩০০ জন প্রতিনিধি এবং এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দিয়েছেন। এতে সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, কূটনীতিক, গবেষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উদ্ভাবক ও তরুণ নেতৃত্ব অংশ নিয়েছেন। তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন আগামী ৫ অক্টোবর শেষ হবে।