নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, কাজী জাফর উল্লাহর নামে ৪৪ টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাবের মেঘনা ব্যাংকে ২৪ কোটি ৬৪ লাখ ৯১ হাজার ৩৭৩ টাকা, মিডল্যান্ড ব্যাংকে ১৮ কোটি ৬ লাখ ৪২ হাজার ৫১৭ টাকা এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ৭ কোটি ৫ লাখ ২৮ হাজার ৪০৫ টাকা রয়েছে।
তার স্ত্রী নীলুফার জাফরউল্লাহর নামে ২৪টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাবের, মিডল্যান্ড ব্যাংকে ১৮ কোটি ৬ লাখ ৪২ হাজার ৫১৭ টাকা এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ৮ কোটি ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭৮ টাকা রয়েছে। মিডল্যান্ড ব্যাংকের হিসাবে ডাবল লকার সুবিধাও রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মেজো ছেলে কাজী রায়হান জাফরের নামে ২৮টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাবের, মেঘনা ব্যাংকে ১২ কোটি ৪২ লাখ ১৯ হাজার ৪৩৪ টাকা ও ১৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৭ হাজার ৪১৫ টাকা রয়েছে। মিডল্যান্ড ব্যাংকের হিসাবেও লকার সুবিধা রয়েছে বলে দুদকের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মেয়ে আনুস্কা মেহরীন জাফরের নামে ৪২টি ব্যাংক ও এফডিআর হিসাবের, মেঘনা ব্যাংকে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩০ টাকা, মিডল্যান্ড ব্যাংকে ৮ কোটি ৯৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৭৩ টাকা এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকে ২০ কোটি ৯২ লাখ ৯৪ হাজার ৩০২ টাকা রয়েছে।