বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগের সরকারের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ) আমলে ব্যাংকগুলো থেকে সব নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এখন ব্যাংকগুলো ফাঁকা, শূন্য মাঠের মতো পড়ে আছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে শিল্পকারখানা চালু করা এবং দেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্যোগ নিতে হবে।
গতকাল শনিবার বিকেলে পোশাক খাতের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে করণীয় নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর রমনায় অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (এইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে সংগঠনটি।
এদিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে শহীদ জেহাদ স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত ’৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের ৩৬তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভায় রিজভী বলেন, প্রশাসন ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে বসে আছে। ’৯০-এর পরাজিত স্বৈরাচারী শক্তি আর ’২৪-এর পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তি একই সূত্রে গাঁথা। তারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশকে লুটপাট করেছে, ব্যাংক খালি করে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে এবং গুম-খুনের রাজনীতি চালিয়েছে। আজও প্রশাসনে ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে বসে আছে।
দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘আমরা যুগে যুগে একে অপরের ধর্মীয় উৎসবে শরিক হয়েছি। কিন্তু পরাজিত অপশক্তি পূজাকে কেন্দ্র করে চক্রান্ত করতে পারে। চক্রান্ত রুখে দিতে বিএনপির প্রত্যেক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে দুর্গাপূজার মণ্ডপগুলো পাহারা দেওয়ার তাগিদ দিচ্ছি।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন ও এজিএস নাজিম উদ্দিন আলমের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন ’৯০-এর ছাত্রনেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, হাবিবুর রহমান হাবিব, শিরিন সুলতানা, মীর সরফত আলী সপু, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।