এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতে ৩০১ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার, মার্চে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার, এপ্রিলে ৩১২ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার, মে মাসে ৩৪৪ কোটি ২৫ লাখ ৮০ হাজার, জুনে ২৮১ কোটি ৯০ লাখ ৩০ হাজার, জুলাইয়ে ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার, আগস্টে ২৯৬ কোটি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার এবং সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান বিভিন্ন খাতে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তোনিও আলেসান্দ্রো স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রতিবছর প্রায় ১২ হাজার বাংলাদেশি নাগরিককে পরিবারসহ ইতালিতে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
কাতারও বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী। গত মে মাসে প্রবাসী ভবনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে দেশটির শ্রমমন্ত্রী আলী বিন সাঈদ বিন সামিখ আল মাররি ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডিং, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) টেকনিশিয়ান ও প্লাম্বিং—এই চার খাতে দক্ষ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান। কাতারের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে উপযুক্ত কর্মী তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) তালিকাও কাতারকে দেওয়া হয়েছে। দেশটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ থেকে নিয়মিত কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
এ ছাড়া দুবাই ট্যাক্সি কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার দক্ষ চালক নিয়োগের কথা জানিয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা। ওই সময় প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বাংলাদেশি কর্মীদের দুবাই যেতে খরচ কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যুদ্ধ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। এ অবস্থায় প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন করে কর্মী পাঠানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বিদেশে কর্মী পাঠানোর সংখ্যা বাড়বে। প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কার্ড দ্রুত তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার কাজও চলছে।
তিনি বলেন, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি করতে মন্ত্রণালয় ও সরকার কাজ করে যাচ্ছে।