এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, আমরা রাষ্ট্রপক্ষে এই আসামিকে কেন রিমান্ডে নিতে হবে সে বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করি।আমরা রাষ্ট্রপক্ষে যে সাবমিশন রেখেছি সেটা হচ্ছে, দিলীপ আগরওয়ালা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির একজন সদস্য। তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তার এই ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবসার ক্ষেত্রে ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪৮ হাজার ১১ টাকার স্বর্ণালংকার, ডায়মন্ডসহ বিভিন্ন অলংকার এলসির মাধ্যমে বৈধভাবে আমদানি করেছেন। আর ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার স্বর্ণালংকার তিনি লোকাল বাজার থেকে ক্রয় করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এই যে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকার ক্রয়ের বিষয়; সেই সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়েছে।