তবে ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক দিনজুড়ে প্রায় স্থিতিশীল থেকে সামান্য কমে শেষ পর্যন্ত ০.৪ শতাংশ পতনের সঙ্গে দিন শেষ করে।এই পতনের বাজারে গত বৃহস্পতিবার শত শত বিলিয়ন ডলার বাজারমূল্য হারানো এনভিডিয়া, স্পেসএক্স এবং টেসলার মতো শীর্ষ জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ার শুক্রবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়।তবে যুক্তরাষ্ট্র বাদে এশিয়া ও ইউরোপের স্টক বাজারগুলোর পরিস্থিতি ছিল বেশ শোচনীয়। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক শুক্রবার ৬ শতাংশ পতনের মুখ দেখে, যেখানে দেশটির বিখ্যাত চিপ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এসকে হাইনিক্স-এর শেয়ারের দরপতন ঘটে ১০ শতাংশেরও বেশি।
ইউরোপীয় বাজারগুলোতেও একই নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়।জার্মানি, ফ্রান্স এবং স্পেনের প্রধান প্রধান সূচকগুলো পতনের মধ্য দিয়েই তাদের সপ্তাহের লেনদেন শেষ করে। এছাড়া যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান কোম্পানিগুলোর সূচক ‘এফটিএসই ১০০’ পতন দেখেছে ১ দশমিক ০১ শতাংশ।