তবে কথোপকথনের একপর্যায়ে কল রেকর্ডিংয়ের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান তিনি।সাংবাদিকের অনুমতি ছাড়া কল রেকর্ড করার অভিযোগ তুলে বলেন, ‘এটা সাংবাদিকতার নীতির পরিপন্থী।’ একই সঙ্গে তার বক্তব্য প্রকাশ না করার কথা জানান। এরপর তিনি বলেন, ‘আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলি না।’
উম্মে ফারহানা জানান, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং সরাসরি পরিস্থিতি না দেখে নির্ভরযোগ্য তথ্য দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে পরবর্তী কথোপকথনে হলের গ্যাসলাইন স্থাপন ও চুলার যন্ত্রাংশ নিয়ে কথা বলেন তিনি।
হল প্রভোস্টের দাবি, দোলনচাঁপা হলে আগে গ্যাসের ব্যবস্থা ছিল না। ডাইনিং পরিচালনা নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প হিসেবে সম্প্রতি গ্যাসের ব্যবস্থা করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজের ও অবকাঠামোর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রভোস্ট বলেন, ‘আপনি তো জাতীয় কবির শিক্ষার্থী, আপনার জানাই উচিত যে, কি রকম ধরনের জিনিসপত্র দিয়ে আসলে কনস্ট্রাকশনগুলো হয়। গ্যাসলাইন স্থাপনের এক বছরও হয়নি। এটি মেরামতের বিষয় নয়, ব্যবহারের সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি দোলনচাঁপা হলের ৪০৬ নম্বর কক্ষে এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে জুনিয়র রুমমেটকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিষয়ে বক্তব্য জানতে হল প্রভোস্ট উম্মে ফারহানার সঙ্গে যোগাযোগ করেন সাংবাদিকেরা। সে সময়ও সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
কথোপকথনে তিনি বলেন, ‘আমি অনেক কিছু জানি, যা আপনাদের বলব না। আপনাদের সাংবাদিকগিরি একধরনের ফাতরামি করা ছাড়া কিছুই না।’ এছাড়া অভিযোগকারী শিক্ষার্থীকে খুঁজে বের করে প্রয়োজনে তার আবাসিক আসন বাতিলের হুমকিও দেন বলে ওই কথোপকথনে শোনা যায়।