• বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
/ লাইফস্টাইল
আমাদের মধ্যে অনেকেই খেতে খেতে হেঁচকি ওঠার ভয়ে হাতের কাছে পানি রাখেন। কিন্তু প্রয়োজন না হলে মুখে তোলেন না। খেতে খেতে পানি পানি নাকি খারাপ! কেউ কেউ বলেন, খাবার খাওয়ার বিস্তারিত...
পর্যাপ্ত পানি না খেলে শরীরে ফ্লুইডের অভাব হয়। যে কারণে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে। পরিমাণমতো পানি না পান করলে কিডনিতে স্টোন হতে পারে। কিন্তু মুখের ভেতর পাথর হওয়ার কথা হয়তো
ঘুম ঠিক না হলে আমরা মানসিক চাপ, ক্যাফেইন বা মোবাইল স্ক্রিনকে দায়ী করি। কিন্তু জানেন কি, আপনার খাওয়া-দাওয়া বা শরীরে কিছু ভিটামিনের ঘাটতি থাকলেও ঘুমের সমস্যা হতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে,
উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে হৃদরোগ, বিশেষ করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়ে। কিন্তু আমাদের আধুনিক জীবনে সেই ঝুঁকি কমানো সত্যিই কঠিন। অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, মানসিক চাপ, পর্যাপ্ত
এক সময়ে শিশুদের অপুষ্টিই ছিল সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা। পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের মৃত্যুহারে এখনো উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটেনি। তবে এর মাঝেই নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্থূলত্ব। ওবিসিটি বা অতিরিক্ত
আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে পানি অপরিহার্য। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। শরীর সুস্থ ও নীরোগ রাখতে পানির বিকল্প নেই। তাই কম পানি খেলে শরীরের ক্ষতি।আবার উল্টোটাও
রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম হলুদ দুধ খাওয়ার রীতি অনেক আগে থেকেই প্রচলিত। আধুনিক যুগেও অনেকেই এই অভ্যাস বজায় রাখেন। তবে জানেন কি, এই সাধারণ হলুদ দুধ শরীরের জন্য
বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শরীরের যেকোনো অংশে এই রোগ হানা দিতে পারে। তবে সম্প্রতি অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সরের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, অন্য অনেক ক্যান্সারের তুলনায় অগ্ন্যাশয়ের